Mon. Sep 16th, 2019

Educational Tips

Just another WordPress site

Mirage 2000 the fighter plane of India

1 min read

মিরাজ ২০০০

Mirage 2000 যুদ্ধ বিমান সম্পর্কে জানেন? এই পোষ্টে আমরা খুব সংক্ষিপ্ত আকারে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অন্যতম সম্পদ শক্তিশালী এই যুদ্ধ বিমান সম্পর্কে খুঁঁটিনাটি আলোচনা করব।

Mirage 2000
Mirage 2000
  • নামঃ মিরাজ ২০০০
  • সর্বাধুনিক সংস্করন-  মিরাজ 2000-5K
  • ব্যবহারঃ প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যুদ্ধবিমান হিসাবে কাজ করে।
  • নির্মানকারী সংস্থঃ- ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশন, ফ্রান্স।
  • মিরাজের পরবর্তী উত্তরসূরী হিসাবে ড্যাসল্ট কোম্পানি কোন বিমান তৈরি করছেন? রাফায়েল যুদ্ধ বিমান।
  • মিরাজ তৈরীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ– ১৯৭০ সাল নাগাদ ড্যাসল্ট কোম্পানী এই যুদ্ধবিমান মিরাজ তৈরীর কাজ শুরু করে। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা বাহীনিতে ১৯৮৪ সালে মিরাজ অন্তর্ভুক্ত হয়।
  • কোন কোন দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মিরাজ আছে?—ফ্রান্স, মিশর, গ্রীস, পেরু কাতার, তাইওয়ান এবং সংযুক্ত আরব আমীরশাহী।
  •  ভারতে প্রথম মিরাজ এল কত সালে ?- ১৯৮৫ সালে ।
  • বর্তমানে ভারতে কতগুলি মিরাজ যুদ্ধবিমান আছে? ৫০ টি। এর মধ্যে ৩৬ টি সিঙ্গল সিটার এবং বাকী চারটি ডাবল সিটার।
  • ভারত কবে এই বিমান ব্যবহার করে? ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে এবং ২৬ শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯, এ পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গী ঘাটি আলফা থ্রি ধ্বংস করতে ব্যবহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা।
এই যুদ্ধবিমানের কিছু বৈশিষ্ট্য একনজরে দেখে নেওয়া যাকঃ
  •  আছে শক্তিশালী রাডার, যার ফলে খুব সহজে এবং দ্রুত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে পারে।
  • ডপলার বিমিং প্রযুক্তি, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুমিতে অবস্থিত যেকোন বস্তুর নিখুঁত ম্যাপ তৈরি করতে পারে।
  • রকেট এবং লেজার গাইডেড বম্ব বহনে সক্ষম।
  • পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম।
  • সর্বাধিক ৯ হাজার ৭০০ কেজী ওজনের অস্ত্র বহন করতে পারে।
  •  ভুমির খুব কাছাকাছি কম উচ্চতা দিয়ে উড়তে পারে, ফলে শত্রুপক্ষের র‍্যাডারে সহজে ধরা পড়ে না।
  • রয়েছে অটো ক্যানন অর্থাৎ স্বংয়ক্রিয় কামান। মাঝ আকাশে শত্রুপক্ষের বিমানকে নিমেষে ধ্বংস করতে পারে।
  • এই বিমানের চালকের হেলমেটে থাকে অত্যাধুনিক ডিসপ্লে, যার ফলে সুপার ইমপোসজড রেডার ডেটা তিনি দেখতে পারেন। ফলে ককপিটে কোন ডিসপ্লের দরকার হয় না।
  • এই বিমানের ইঞ্জিন বেশী ভারী নয়, হালকা ধরনের  ‘সিঙ্গল শ্যাফ্ট ইঞ্জিন’। নাম SNECMA M 53।
  • ওয়ান সিটার বা টু সিটার হতে পারে। সাধারণত একজনই ফাইটার পাইলট বসেন।
  •  এই বিমানের ওজন ৭০০০ কেজীর মত এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪.৩৬ মিটার।
  • গতিবেগ প্রায় ঘন্টায় ২৩৩৬ কিমি।
  • ভুমিপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৯,০০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উঠতে পারে।

আরো পড়ুনঃ জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ধারা ৩৫এ এবং ৩৭০  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *