Sound Wave Reflection Echo Tone

শব্দ বিজ্ঞানঃ 

এই বিভাগে আমরা শব্দ বিজ্ঞান সম্প্ররকে আলোচনা করব। Sound-Wave-Reflection-Echo-Tone এই শিরোনাম অনুযায়ী প্রতিটি বিভাগকে চাকরির পরিক্ষার উপযোগী করে উপস্থাপন করা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় বিষয়কে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কোন ধরনের প্রশ্ন পরিক্ষায় আসে, সেই গুলোর উপর বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আশাকরি ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে।

সূচিপত্রঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • 1.সংগা
  • 2.প্রকৃতি
  • 3.উৎস
  • 4.বিস্তারের মাধ্যম
  • 5.শ্রুতিগোচর শব্দ / শব্দোত্তর শব্দ / শব্দেতর শব্দ
  • 6.শব্দ তরঙ্গ
  • 7.তীক্ষ্ণতা
  • 8.কম্পাঙ্ক
  • 9.শব্দের বেগ
  • 10.শব্দের প্রতিফলন
  • 11.প্রতিধ্বনি
  • 12.সুর এবং স্বর

সংঙ্গাঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • যখন কোন কম্পনশীল বস্তু থেকে কোন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে তরঙ্গের আকারে যে শক্তি আমাদের কানে এসে পৌছায় এবং মস্তিষ্কে এক বিশেষ অনুভূতির সৃষ্টি করে, তাকে শব্দ বলে।

শব্দের প্রকৃতিঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • 1.শব্দ একপ্রকার শক্তি
  • 2.শব্দ একপ্রকার অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  • 3.শব্দ তরঙ্গ স্থিতিস্থাপক
  • 4.শব্দ তরঙ্গ এবং আলোক তরঙ্গ এক নয়। আলোক তরঙ্গ একপ্রকার তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ এর এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য শব্দ তরঙ্গ থেকে অনেক ছোট। তাই আলোক তরঙ্গ শুন্য মাধ্যমে চলাচল করতে পারলেও শব্দ পারে না।

শব্দের উৎসঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • যে কোন কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস।
  • যে কম্পনশীল উৎস থেকে শব্দ সৃষ্টি হয় তাদের স্বনক বলে।

বিস্তারের মাধ্যমঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • কঠিন
  • তরল
  • গ্যাসীয়
  • শুন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না ।
  • চাঁদে কোন বাতাস নেই, তাই চাঁদে গিয়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে কথা বললে, কেউ কারো কথা শুনতে পায় না ।

শ্রুতিগোচর শব্দ / শব্দোত্তর শব্দ / শব্দেতর শব্দঃ

  • 1.শ্রুতিগোচর শব্দঃ  কোন বস্তুর কম্পন সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ বারের মধ্যে থাকলে সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই।
  • উদাঃ মশা ওড়ার শব্দ
  • 2.শব্দোত্তর শব্দঃ  কোন বস্তুর কম্পন সেকেন্ডে ২০,০০০ বারের বেশী হলে সেই শব্দ আমরা শুনতে পাইনা।
  • উদাঃ আলট্রা সোনোগ্রাফী
  • 3.শব্দেতর শব্দঃ কোন বস্তুর কম্পন সেকেন্ডে ২০ বারের কম থাকলে সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই না।
  • উদাঃ পাখী ওড়ার শব্দ, পেন্ডুলাম দোলার শব্দ

শব্দ তরঙ্গঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • শব্দ তরঙ্গ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। এক্ষেত্রে মাধ্যমের কনাগুলির সমষ্টিগত কম্পনের মাধ্যমে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, সেই তরংগের বিস্তার শব্দ সঞ্চালনের সাথে সমান্তরাল হয়
  • ব্যতিক্রমঃ আলোক তরঙ্গ, তাপ তরঙ্গ তীর্যক তরঙ্গ।
  • স্বনকের একটি পূর্ন কম্পনে শব্দ যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। একে গ্রীক অক্ষর ল্যামডা  দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
  • তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের একক সিজিএস পদ্ধতিতে সেন্টিমিটার এবং এস.আই পদ্ধতিতে মিটার ।

তীক্ষ্ণতাঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • শব্দ কম্পাংকের জন্য আমাদের কানে যে বিশেষ অনুভূতির সৃষ্টি হয় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে।
  • সা সুরের তীক্ষ্ণতা থেকে রে সুরের তীক্ষ্ণতা বেশী, তার থেকেও বেশী গা সুরের তীক্ষ্ণতা…।
  • শব্দের উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব যত কমে তীক্ষনতা তত বাড়ে ।
  • তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম্পাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক। তাই তীক্ষ্ণতা বেশী হলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে।
  • বাঘের গর্জনের থেকে মশার গুঞ্জনের তীক্ষ্ণতা বেশী।
  • পুরুষের তুলনায় মেয়েদের গলার স্বরের তীক্ষ্ণতা বেশী

শব্দের বেগঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • স্থির এবং শুষ্ক বাতাসে 0° সেন্টিগ্রেড উষ্ণতায় শব্দের বেগ 332 মিটার/সেকেন্ড
  • 4° সেন্টিগ্রেড উষ্ণতায় জলের মধ্যে শব্দের বেগ প্রায় 1436 মিটার/সেকেন্ড
  • বায়ু বা গ্যাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের বেগ বাড়ে।
  • যদি, বায়ু বা গ্যাসের উষ্ণতা প্রতি 1° বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে শব্দের বেগ প্রায় ৬১ সেমি করে বেড়ে যায়।
  • বায়ু বা গ্যাস মাধ্যমের আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের বেগ বেড়ে যায়।
  • বায়ু বা গ্যাস মাধ্যমের ঘনত্ব কমলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়।
  • যে মাধ্যম বেশী স্থিতিস্থাপক, সেই মাধ্যমে শব্দের বেগ বেশী। তরল এবং গ্যাসীয় মাধ্যম থেকে কঠিন মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা বেশী, তাই কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ বেশী হয়।
  • ম্যাক সংখ্যাঃ কোন বস্তুর বেগ এবং শব্দের বেগের অনুপাতকে ঐ বস্তুর ম্যাক সংখ্যা বলে ।
  • সুপারসনিক বেগঃ কোন বস্তুর বেগ শব্দের বেগের বেশী হলে, তাকে সুপারসনিক বেগ বলে।

শব্দের প্রতিফলন/প্রতিধ্বনিঃ

  • শব্দের প্রতিফলন আলোকের প্রতিফলনের মত। শব্দের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোকের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক বড় হয়, তাই শব্দের প্রতিফলনের জন্য অনেক বড় প্রতিফলকের দরকার হয়।
  • উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ যখন প্রতিফলকে প্রতিফলিত হয়ে শ্রোতার কানে ফিরে আসে, তখন তাকে প্রতিধ্বনি বলে।
  • কোন ক্ষনস্থায়ি শব্দের প্রতিধ্বনি স্থায়ীভাবে শুনতে হলে, প্রতিফলক থেকে উৎসের দুরত্ব কমপক্ষে ১৬ মিটার হওয়া দরকার
  • কোন ক্ষনস্থায়ী শব্দ কানে এসে পৌছালে ঐ শব্দের রেশ 1/10 সেকেন্ড পর্যন্ত থাকে।

সুর এবং স্বরঃ Sound Wave Reflection Echo Tone

  • সুরঃ একটি মাত্র নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ শব্দকে সুর বলে। স্বনক থেকে উৎপন্ন শব্দের মধ্যে বিভিন্ন কম্পাঙ্কের মিশ্রিত সুরের শব্দ থাকে। প্রতিটি আলাদা আলাদা কম্পাঙ্কই এক একটি সুর।
  • স্বরঃ বিভিন্ন কম্পাঙ্কের অনেকগুলি সুর মিলে যে শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে স্বর বলে।
  • মূলসুরঃ কোন স্বরের মধ্যে যে সুরের কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম।
  • উপসুরঃ কোন স্বরের মধ্যে যে সুরের কম্পাঙ্ক মূলসুরের চেয়ে বেশী ।
  • সমমেলঃ যে সব উপসুরের কম্পাঙ্ক, মূল সুরের কম্পাঙ্কের সরল গুনিতক, সাদের সমমেল বলে।
  • উদাহরনঃ
    • একটি স্বরের মধ্যে ২৮০, ৪২০, ৫৬০, ৭১২, এবং ৮৪০ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ বিভিন্ন সুর আছে। এদের মধ্যে মূলসুর, উপসুর এবং সমমেল কোনগুলি?
    • মূলসুরঃ ২৮০ কম্পাঙ্কের সুর
    • উপসুরঃ ৪২০, ৫৬০, ৭১২, এবং ৮৪০ কম্পাঙ্কের সুর
    • সমমেলঃ ৫৬০ এবং ৮৪০ কম্পাঙ্কের সুর
  • সব সমমেলই উপসুর, কিন্তু সব উপসুর সমমেল নয়।
  • কোন সুরের কম্পাঙ্ক যদি অন্য একটি সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুন হয়, তবে প্রথমটিকে দ্বিতীয়টির অষ্টক বলে।
  • শ্রুতিমধুর শব্দে মূলসুর এবং তার সমমেলের সংখ্যা বেশী থাকে।
  • শ্রুতিকটু শব্দে মূলসূর বলে কিছু থাকে না।

2 thoughts on “Sound Wave Reflection Echo Tone”

  1. অসাধারণ। ধন্যবাদ admin স্যার। GI নিয়ে কিছু আপডেট দিন পরবর্তীতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *